মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ০৯:০৫ অপরাহ্ন

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৮৩৩,২৯১
সুস্থ
৭৭১,০৭৩
মৃত্যু
১৩,২২২
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৩,৩১৯
সুস্থ
২,২৪৩
মৃত্যু
৫০
স্পন্সর: একতা হোস্ট

সিনেমা হলসহ সব বিনোদন ও পর্যটনকেন্দ্র ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা

মাতামুহুরী ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১

চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে সব ধরনের বিনোদন কেন্দ্র, পর্যটন স্পট, মেলা ও সিনেমা হল আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।১লা এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান স্বাক্ষরিত গণ বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়। গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সকল ধরনের জনসমাগম (সামাজিক/ রাজনৈতিক/ ধর্মীয়/ অন্যান্য) সীমিত করতে হবে। উচ্চ সংক্রমণযুক্ত এলাকায় সকল ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলো। বিয়ে/ জন্মদিনসহ যে কোন সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে। মসজিদসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং ধারণ ক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাতে আন্তঃজেলা যান চলাচল সীমিত করতে হবে; প্রয়োজনে বন্ধ রাখতে হবে। বিদেশ হতে আগত যাত্রীদের ১৪ দিন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক (হোটেলে নিজ খরচে) কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী খোলা/ উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূর্বক ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে; ওষুধের দোকানে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ মাস্ক পরিধানসহ যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। শপিং মলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়) ও কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। অপ্রয়োজনীয় ঘোরাফেরা/ আড্ডা বন্ধ করতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ১০টার পর বাইরে বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। প্রয়োজনে বাইরে গেলে মাস্ক পরিধানসহ সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। মাস্ক পরিধান না করলে কিংবা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত/ করোনার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তির আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যান্যদেরও কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। জরুরি সেবায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ছাড়া সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস! প্রতিষ্ঠান শিল্প কারখানাসমূহ ৫০ ভাগ জনবল দ্বারা পরিচালনা করতে হবে। গর্ভবতী/ অসুস্থ/ বয়স ৫৫-উর্ধব কর্মকর্তা/ কর্মচারীর বাড়িতে অবস্থান করে কর্মসম্পাদনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভা, সেমিনার, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা যথাসম্ভব অনলাইনে আয়োজনের ব্যবস্থা করতে হবে। সশরীরে উপস্থিত হতে হয় এমন যে কোন ধরনের গণপরীক্ষার ক্ষেত্রে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। হোটেল-রেস্তোরাসমূহে ধারণ ক্ষমতার ৫০ ভাগের অধিক মানুষের প্রবেশ বাতিল করতে হবে। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ এবং অবস্থানকালীন সর্বদা বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধানসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। এসব শর্ত ও নির্দেশনা না মানলে আইনলঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
চট্টগ্রামের টুরিস্ট পুলিশের সুপার আপেল মাহমুদ জানিয়েছেন, নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, পারকি সমুদ্র সৈকত, ফয়’জ লেকসহ চট্টগ্রামের সব পর্যটন কেন্দ্রে জনসমাগম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। হোটেল, মোটেল ও রেস্ট হাউজগুলো এ নির্দেশনা মানছে কি না, সেটাও কঠোরভাবে তদারক করা হবে।
এদিকে, জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংক্রমণের বেশি ঝুঁকি আছে এমন এলাকায় যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকবে, প্রয়োজনে বন্ধ করা হবে। এর আগে গতকাল বুধবার (৩১ মার্চ) জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সব ধরনের দর্শনার্থীর প্রবেশ ১ এপ্রিল থেকে ১৪ পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।
দেশে মহামারি করোনভাইরাস সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের ১৯ মার্চ থেকে প্রথম দফায় চট্টগ্রামের সব পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছিল জেলা প্রশাসন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে পাঁচ মাস পর ১৯ আগস্ট থেকে সেগুলো খুলে দেওয়া হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

একই রকম আরো নিউজ
© All rights reserved © 2021 matamuhuri.com
কারিগরি সহযোগিতায়: Infobytesbd.com
Jibon