বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কৈয়ারবিলে নৌকা পেতে মরিয়া বিএনপির আবজাল বসে নেই আ.লীগ নেত্রী রেখাও হাটহাজারীতে মন্দির ভাংচুরের মামলায় বিএনপির তিন নেতা গ্রেফতার ফাইজারের টিকা নিতে মানুষের হুমড়ি শেখ রাসেলের জন্মদিনে চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের নানা কর্মসুচী চকরিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে কোমল পানীয় বাবলআপ এর ডিপো আল-রাজি চক্ষু এন্ড ডক্টরস চেম্বার প্রতিষ্ঠানটি নিলামে বিক্রয় করা হবে যে কোনো মূল্যে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন : জাসদ লামায় প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে আর্থিক অনুদান বিতরণ খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ কাকারা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইছমতের প্রার্থীতা ঘোষণা

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
১,৫৬৬,২৯৬
সুস্থ
১,৫২৯,০৬৮
মৃত্যু
২৭,৭৮৫
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
৪৬৯
সুস্থ
৬৯৭
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট

কক্সবাজারের সফল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট রনজিত দাশের সোনালী ইতিহাস

রাজু দাশ, চকরিয়া
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২১

অ্যাডভোকেট রনজিত দাশ, শুধু একটি নাম নয়, একটি চেতনা, একটি প্রেরণা। এক খন্ড জীবন্ত সোনালী ইতিহাস। একজন সময়ের সেরা অনুস্মরণীয় অনুকরণীয় আদর্শ ব্যক্তিত্ব। সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের এক উজ্জল ধ্রুবতারা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এক আর্দশ চেতনার একজন নিবেদিত কর্মী। জননেত্রী শেখ হাসিনা আস্থার প্রতিক। সমাজ, জাতি, এবং দেশের আদর্শ প্রেমিক আলোকিত ব্যক্তি। অসহায়, গরীব, দুঃখী, মেহনতি মানুষের সেবায় নিবেদিত প্রাণ একজন সত্যিকার সমাজ সেবক। অত্যন্ত পরিশ্রমী, কর্মঠ, ধর্য্যশীল, ভদ্র, নম্র, বনয়ী, মিশুক, হিংসা বিদ্বেষ এবং অহংকার মুক্ত সাদা মনের স্বচ্চ একজন সুহৃদ ব্যক্তি। এ ছাড়া আরো বহু গুণে গুনান্বিত শিক্ষিত একজন দিকপাল মানব। আদর্শ রাজনীতির এক পথিকৃত ব্যক্তি। কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের কান্ডারী। এডভোকেট রনজিত দাশের জীবনী তুলে ধরলামঃ

অ্যাডভোকেট রনজিত দাশ জন্ম সূত্রে স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে উঠলে ও সর্বপ্রথম রাজনৈতিতে পর্দাপন হয় ১৯৮২ সালে স্বৈরশাসকের আমলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসাবে। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের সীমানা পেরিয়ে ১৯৮৪ সালে কক্সবাজার সরকারি কলেজে ভর্তির পরপরই কলেজ ছাত্রলীগের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে তৎকালীন ইসলামী ছাত্র শিবিরের জিম্মি অবস্থা থেকে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আগমনে ছাত্রলীগের নবীন বরণ অনুষ্ঠান করা হয়। কলেজের রাজনৈতিক তৎপরতা দেখে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ১৯৮৫ সালে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে প্রচার সম্পাদক এর দায়িত্ব অর্পন করা হয়। এসময় তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম মোজাম্মেল হক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনায় একই সময়ে স্বৈরশাসক ও জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে লড়াই করে সমগ্র জেলায় ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করার মাধ্যমে সকল নেতৃবৃন্দের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রিয়পাত্রে পরিনত হয়। ১৯৮৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন তৎকালীন জাতীয় পার্টির গুন্ডা ও পুলিশ বাহীনির গুলিতে আওয়ামী লীগ কর্মী মরহুম শাহ আলম শাহাদাত বরণ করার ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয় অ্যাডভোকেট রনজিত দাশ যার খবর প্রকাশিত হয়েছিল তৎকালীন জাতীয় দৈনিক বাংলার বাণীতে।

সাংগঠনিক তৎপরতা দেখে ১৯৮৮ সালে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। তৎসময়ে জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্বের পাশাপাশি সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে গড়ে উঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য পরিষদ ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ও প্রধান সংগঠকের দায়িত্ব নিয়ে এরশাদ সরকারের ‘দেখা মাত্র গুলি’ আদেশ উপেক্ষা করে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হয়। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালের শেষদিকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রয়াত আলমগীর চৌধুরী হিরু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে জেলা আওয়ামী লীগ এর পরামর্শে ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল করত: অ্যাডভোকেট রনজিত দাশকে জেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক করা হয়। যখন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে, শুরু হয় মামলা-হুলিয়া, বাসা-বাড়িতে ঘুমানো দুষ্কর পুলিশের তল্লাশী প্রতিদিনের নৈমিত্তিক ব্যাপার। তৎমধ্যে ও বিবিসির সংবাদের মাধ্যমে জরুরী অবস্থার ঘোষণা শোনে তাৎক্ষনিক রাজপথে মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাতীয় পরিষদের সদস্য মনোনীত হন

১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, কক্সবাজার জেলা শাখার প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে জেলার মৃতপ্রায় যুবলীগকে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সুসংগঠিত করা হয়। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৯৯ সালের সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। যা অনুমোদিত হয় ২০০০ সালে। সেই থেকে অদ্যবধি জেলা যুবলীগ একটি মডেল সংগঠন হিসাবে কাজ করে আসছে। পরবর্তীতে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য করা হয়। ২০০৪ সালের ২১ আগষ্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলা করা হলে তাৎক্ষনিকভাবে পুলিশি বাঁধা উপেক্ষা করে যুবলীগের বিশাল কর্মী-বাহিনী নিয়ে কক্সবাজার শহরে মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, প্রধান সড়ক অবরুদ্ধ হয়। এই সময়ে কর্মীবেষ্টিত অবস্থায় পুলিশ কয়েক দফায় গ্রেফতার করতে চেয়েও ব্যর্থ হয়।

পরবর্তীতে ২০০৫ সালে একেএম মোজাম্মেল হক সভাপতি ও সালাহ উদ্দিন আহমদ (সিআইপি) সাধারণ সম্পাদক এর নেতৃত্বাধীন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ এর কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় এক যুগ নিষ্টা ও সততার সাথে সাংগঠনিক সম্পাদক এর দায়িত্ব পালনকালে গোটা জেলায় ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা সৃষ্টি করা হয়। ২০১৬ সালের জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। যা অদ্যবধি নিরলসভাবে নিজের উপর অর্পিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর দলীয় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অতি অল্প সময়ে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জয় করে নেন হৃদয়। হয়ে উঠেন জননন্দিত এবং জনপ্রিয়। উত্তম চরিত্র, উন্নত আদর্শ, অমায়ীক ব্যবহার, আর জনতার উপকারী সুকর্মের গুণে আজ গণমানুষের হৃদয়ে সমুজ্জ্বল, এডভোকেট রনজিত দাশ। আমরা অ্যাডভোকেট রনজিত দাশ এর উজ্জল ভবিষ্যত কামনা করি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

একই রকম আরো নিউজ
© All rights reserved © 2021 matamuhuri.com
কারিগরি সহযোগিতায়: Infobytesbd.com
Jibon